মূল সংবাদে যান
বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইউরোপে বেড়েছে বাংলাদেশিদের আশ্রয় আবেদন

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপনের স্থান
ইউরোপে বেড়েছে বাংলাদেশিদের আশ্রয় আবেদন

ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিভিন্ন দেশে চলতি বছরের প্রথমার্ধে আশ্রয় আবেদনের সংখ্যা কমে পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন স্থানে নেমে এসেছে। কঠোর অভিবাসন নীতি এবং মূল দেশগুলোর রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের কারণে আবেদনের এই নিম্নমুখী ধারা তৈরি হয়েছে।

তবে সামগ্রিক হ্রাসের বিপরীত স্রোতে হেঁটে ইইউতে শীর্ষ আবেদনকারী দেশগুলোর তালিকায় অবস্থান ধরে রেখেছে বাংলাদেশ।

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যদেশসহ সুইজারল্যান্ড ও নরওয়েতে আন্তর্জাতিক সুরক্ষার জন্য ৩ লাখ ৩২ হাজার আবেদন জমা পড়েছে।

তবে আবেদনের এই হার ২০২৫ সালের একই সময়ের তুলনায় ১৭ শতাংশ কম এবং ২০২১ সালের পর থেকে বছরের প্রথমার্ধে সর্বনিম্ন আবেদনের রেকর্ড।

ইইউএএ বলেছে, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত ছড়ালেও ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলো থেকে আশ্রয় আবেদনের সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পায়নি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মোট আবেদনকারীদের মধ্যে সর্বোচ্চ সংখ্যায় রয়েছেন আফগান নাগরিকরা। দেশটির ৩৯ হাজার হাজার নাগরিক ইইউর বিভিন্ন দেশে আশ্রয়ের আবেদন করেছেন। এর পরপরই দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছেন ভেনেজুয়েলা ও বাংলাদেশের নাগরিকরা।

গত বছরের প্রথম ছয় মাসে ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশিদের আশ্রয় আবেদনের সংখ্যা ছিল ১৭ হাজার ৩২৭। আর চলতি বছরের একই সময়ে বাংলাদেশিদের এই আশ্রয় আবেদন বেড়ে ১৯ হাজার ৫২১ জনে পৌঁছেছে।

জুনে কার্যকর হওয়া নতুন নিয়ম অনুযায়ী, যেসব দেশের আবেদন মঞ্জুরের হার ২০ শতাংশের কম কিংবা যেগুলোকে ইইউ ‘নিরাপদ দেশ’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে, সেসব দেশের আবেদন দ্রুত যাচাই-বাছাই এবং প্রত্যাখ্যাত হলে দ্রুত নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে।

২০২৬ সালের প্রথমার্ধে আসা আবেদনের প্রায় ৫৬ শতাংশই এমন মানদণ্ডের অন্তর্ভুক্ত ছিল। এ তালিকায় বাংলাদেশ (২০ হাজার), মিসর (১২ হাজার), ভেনেজুয়েলা (৩৩ হাজার) ও তুরস্কের (১২ হাজার) নাগরিক রয়েছেন। তুর্কিদের (১৮ শতাংশ) ছাড়া এসব দেশের ১ম ধাপের আবেদন মঞ্জুরের হার ছিল ৫ শতাংশের নিচে।

ইইউ সদস্যদেশগুলোর মধ্যে ফ্রান্স সর্বোচ্চ ৬৯ হাজার আবেদন গ্রহণ করেছে, যা মোট আবেদনের পাঁচ ভাগের এক ভাগ। তালিকায় এরপরই রয়েছে ইতালি (৬৬ হাজার), স্পেন (৫৫ হাজার) এবং জার্মানি (৫৫ হাজার)।

এই চার দেশে মোট আবেদনের প্রায় তিন-চতুর্থাংশ জমা পড়েছে। তবে জনসংখ্যার অনুপাতে সবচেয়ে বেশি আবেদন পড়েছে গ্রিসে (২৩ হাজার)।

প্রতিবেদনে বাংলাদেশি আবেদনকারীদের চিত্র বিশেষভাবে উঠে এসেছে। ২০২৬ সালের প্রথম ৬ মাসে প্রায় ২০ হাজার বাংলাদেশি নাগরিক ইইউ+ দেশগুলোতে সুরক্ষার জন্য আবেদন করেছেন। সবচেয়ে বেশি আবেদন করা দেশগুলোর তালিকায় আফগানিস্তান ও ভেনেজুয়েলার পরই বাংলাদেশিদের অবস্থান।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপনের স্থান
আগের সংবাদ

বিলুপ্ত হলো র‍্যাব, সংসদে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন বিল পাস

আরও পড়ুন

বিভাগভিত্তিক আরও সংবাদ

বিভিন্ন বিভাগের সাম্প্রতিক ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ এক জায়গায় পড়ুন।