মূল সংবাদে যান
বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শুল্ক হ্রাস ও এফটিএ দেশের অর্থনীতিতে যুক্ত করতে পারে ৪ বিলিয়ন ডলার

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপনের স্থান
শুল্ক হ্রাস ও এফটিএ দেশের অর্থনীতিতে যুক্ত করতে পারে ৪ বিলিয়ন ডলার

দেশীয় শিল্পের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামাল ও যন্ত্রপাতির আমদানি শুল্ক কমানো এবং মুক্তবাণিজ্য চুক্তির (এফটিএ) মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাজারে ভালোভাবে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে পারলে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রায় ৪ বিলিয়ন ডলারের বাড়তি জিডিপি যুক্ত হতে পারে।

বিশ্বব্যাংকের এক প্রাথমিক বিশ্লেষণে এ তথ্য উঠে এসেছে। তবে বৈশ্বিক ঋণদানকারী সংস্থাটি সতর্ক করে বলেছে, স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের পর বিকল্প ব্যবস্থা না করে বর্তমান বাণিজ্য সুবিধাগুলো হারালে বাংলাদেশের ১ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলারের অর্থনৈতিক ক্ষতি হতে পারে।

আগামী ২৪ নভেম্বর বাংলাদেশের এলডিসি থেকে উত্তরণের কথা রয়েছে। তবে সরকার এই উত্তরণ অন্তত তিন বছর পেছানোর জন্য আবেদন করেছে। চলতি মাসের শেষের দিকে এই বিষয়ে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

বিশ্বব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, অর্থনৈতিকভাবে এই লাভ মূলত দুই স্তরের সংস্কারের ওপর নির্ভর করবে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আমদানিকৃত মধ্যবর্তী পণ্যের ওপর শুল্ক কমানো এবং অতিরিক্ত আমদানি শুল্ক পুরোপুরি তুলে দিলে প্রকৃত জিডিপি শূন্য দশমিক ৫২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। মধ্যবর্তী পণ্য বলতে ওই সব কাঁচামাল, যন্ত্রাংশ ও পণ্যকে বোঝায়, যা ব্যবহার করে অন্য কোনো পণ্য উৎপাদন করা হয়।

অন্যদিকে, প্রধান বাণিজ্য অংশীদারদের সঙ্গে মুক্তবাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) করতে পারলে জিডিপি আরও শূন্য দশমিক ৭৩ শতাংশ বা প্রায় ৩ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার বাড়তে পারে। এই বিশ্লেষণে ধরে নেওয়া হয়েছে যে ভিয়েতনাম যেসব দেশের সঙ্গে চুক্তি করেছে, বাংলাদেশও সমপর্যায়ের চুক্তি করতে পারবে।

বিশ্বব্যাংকের মতে, মুক্তবাণিজ্য চুক্তি থেকে যে সুবিধা আসবে, তার প্রায় দুই-তৃতীয়াংশই আসতে পারে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর জোট আসিয়ান ও রিজিওনাল কম্প্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ বা আরসিইপিভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমে।

বিশ্বব্যাংক সতর্ক করে বলেছে, এ ব্যাপারে নিষ্ক্রিয় থাকার মাশুলও গুণতে হতে পারে বাংলাদেশকে। কোনো বিকল্প বাণিজ্য চুক্তির ব্যবস্থা না করে বর্তমান অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য সুবিধা হারালে জিডিপি শূন্য দশমিক ২৪ শতাংশ বা প্রায় ১ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার কমে যেতে পারে।

বাংলাদেশের প্রতিযোগী দেশগুলো যদি আন্তর্জাতিক বাজারে আরও বেশি প্রবেশাধিকার পেয়ে যায় এবং বাংলাদেশ যদি চুপচাপ বসে থাকে, তবে ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। সে ক্ষেত্রে জিডিপি আরও শূন্য দশমিক ২১ শতাংশ কমতে পারে।

পাশাপাশি মোট রপ্তানি ২ দশমিক ৪৮ শতাংশ এবং অদক্ষ শ্রমিকদের মজুরি শূন্য দশমিক ৮৩ শতাংশ কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপনের স্থান
আগের সংবাদ

ব্যাংকে বাড়ছে নারী কর্মী, তবে কমছে সুযোগ-সুবিধা

পরের সংবাদ

দল নির্বাচনে জিতলে প্রত্যেক আমেরিকান ৫ হাজার ডলার পাবেন: ট্রাম্প

আরও পড়ুন

বিভাগভিত্তিক আরও সংবাদ

বিভিন্ন বিভাগের সাম্প্রতিক ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ এক জায়গায় পড়ুন।