অ্যানফিল্ডে আবারও টাইব্রেকার ভাগ্যবিড়ম্বনার শিকার হলো চেলসি। এর আগে চারবার লিভারপুলের মুখোমুখি হয়ে প্রতিটিতেই পেনাল্টি শুটআউটে হেরেছিল তারা।
এবার পঞ্চমবারের মতো সেই একই চিত্রনাট্যের পুনরাবৃত্তি ঘটল। নির্ধারিত সময়ে ১-১ গোলে ড্র থাকার পর রোমাঞ্চকর পেনাল্টি শুটআউটে চেলসিকে ৬-৫ ব্যবধানে হারিয়ে কারাবাও কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে লিভারপুল।
ম্যাচের শুরু থেকেই দুই প্রিমিয়ার লিগ প্রতিপক্ষের মধ্যে দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখা যায়। প্রথমার্ধের শেষের দিকে মরগান রজার্স পেনাল্টি থেকে গোল করে চেলসিকে এগিয়ে দেন। মালো গুস্তোর বাড়ানো পাস থেকে ডি-বক্সে কাইসেদো ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টি পায় ব্লুজরা।
তবে পিছিয়ে পড়ার পর ম্যাচে ফিরতে মরিয়া হয়ে ওঠে লিভারপুল। দ্বিতীয়ার্ধে কর্নার থেকে আসা বলে চেলসি ডিফেন্ডারের হাতে বল লাগলে পেনাল্টি পায় স্বাগতিকরাও। সেখান থেকে আত্মবিশ্বাসী শটে গোল করে লিভারপুলকে সমতায় ফেরান কোডি গাকপো।
নির্ধারিত সময়ে ১-১ সমতা থাকার পর ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। শুটআউটে দুদলই বেশ কয়েকটি শট মিস করলে নাটকীয়তা চরমে ওঠে। ইমানুয়েল এমেগার শট জর্জি মামারদাশভিলি দুর্দান্তভাবে রুখে দেন, অন্যদিকে লিভারপুলের হয়ে কস্তাস সিমিকাসসহ কয়েকজন সুযোগ নষ্ট করেন।
শেষ পর্যন্ত জো গোমেজের নিখুঁত স্পট-কিক লিভারপুলকে এগিয়ে দেয়। এরপর চেলসির ওয়েসলি ফোফানার শট গোলবারের ওপর দিয়ে গ্যালারিতে চলে গেলে বিদায় নিশ্চিত হয় ব্লুজদের।
ম্যাচ শেষে চেলসি কোচ জাবি আলোনসো বলেন, ফলাফল কাঙ্ক্ষিত না হলেও দলের খেলায় ইতিবাচক দিক ছিল। অন্যদিকে, এই জয়ে কারাবাও কাপের শেষ আট নিশ্চিত করেছে লিভারপুল।