যশোরের বেনাপোলে অবৈধ অস্ত্র ও গুলি উদ্ধারের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় মোস্তাফিজুর রহমান নামে এক যুবককে পৃথক দুটি ধারায় মোট ১৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার যশোরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ এবং স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-৮-এর বিচারক কাজী কামরুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত মোস্তাফিজুর রহমান বেনাপোল পোর্ট থানার ৪ নম্বর ঘিবা গ্রামের আলি আহম্মেদ শেখের ছেলে। তিনি বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।
মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২ নভেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশ বোয়ালিয়া বাজার এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় বাজারের একটি চায়ের দোকানের সামনের পাকা রাস্তা থেকে মোস্তাফিজুর রহমানকে আটক করা হয়।
পরে তার দেহ তল্লাশি করে পরনের লুঙ্গির মধ্যে লুকিয়ে রাখা একটি ৭ দশমিক ৬৫ বোরের পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন ও এক রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় বেনাপোল পোর্ট থানার তৎকালীন সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) সুজিত কুমার মৃধা বাদী হয়ে মোস্তাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত শেষে উপপরিদর্শক (এসআই) ফিরোজ উদ্দীন একই বছরের ৬ ডিসেম্বর মোস্তাফিজুর রহমানকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্য ও প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত অস্ত্র আইনের ১৯(এ) ধারায় ১০ বছর এবং ১৯(এফ) ধারায় সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন। সাজাপ্রাপ্ত মোস্তাফিজুর রহমান বর্তমানে কারাগারে আটক রয়েছেন।